আজ ১৬ই ডিসেম্বর: গৌরবময় বিজয় দিবস।

আজ গৌরবময় বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণ করেছিল পাকহানাদার বাহিনী। চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের। বিজয়ের অনুভূতি সবসময়ই আনন্দের। তবে একইসঙ্গে দিনটি বেদনারও, বিশেষ করে যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের জন্য। অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের; যেসব নারী ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাদের।

https://www.facebook.com/roseasiasac/

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা

দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা

আজ আমাদের জাতীয় জীবনের একটি শোকাবহ দিন। একাত্তরের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে সংযোজিত হয়েছিল এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়ের প্রাক্কালে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসররা পরাজয় নিশ্চিত জেনে মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে।

প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তারা হত্যা করে জাতির অনেক কৃতী সন্তানকে। এ হত্যাযজ্ঞের একটি বড় উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতা লাভ করতে যাওয়া বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে ফেলা।

২৫ মার্চ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করার পর থেকেই পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসররা গণহত্যার পাশাপাশি বেছে বেছে কিছু মানুষকে হত্যা করে, যারা বিবেচিত হতেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধের গোটা সময়টায় ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা শহরে হত্যা করা হয় তাদের।

পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর হত্যাকারীরা ঢাকার রায়েরবাজার ও মিরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায়। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই তাদের নিকট-আত্মীয়রা বধ্যভূমিতে স্বজনদের লাশ খুঁজে পান।

বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসররা এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নির্যাতন করেছিল পৈশাচিকভাবে। বুদ্ধিজীবীদের লাশে ছিল আঘাতের চিহ্ন, তাদের কারও চোখ-হাত-পা বাঁধা, কারও শরীর ক্ষতবিক্ষত। লাশের ক্ষতচিহ্নের কারণে অনেকেই তাদের প্রিয়জনের মৃতদেহ শনাক্ত করতে পারেননি। অনেকের লাশ খুঁজেও পাওয়া যায়নি।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম বর্বর একটি ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। প্রাণ রক্ষার্থে অথবা প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে অনেক বুদ্ধিজীবী দেশত্যাগ করায় তারা রেহাই পান ওই হত্যাযজ্ঞ থেকে। নয়তো তাদেরও হতে পারত একই পরিণতি।

বুদ্ধিজীবীদের অপরাধ ছিল, তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনসাধারণকে স্বাধিকারের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে তুলেছিলেন এবং সহায়তা জুগিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমরা হারিয়েছি, তাদের অধিকাংশই ছিলেন নিজ নিজ ক্ষেত্রে খ্যাতিমান।

৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাঙালির বিজয় অর্জনের ফলে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে এক স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। আমাদের জন্য তা মহত্তম অর্জন। কিন্তু বিজয়ের আনন্দ অনেকটাই বিষাদে পরিণত হয় লাখ লাখ সাধারণ মানুষ ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের কারণে। বুদ্ধিজীবীসহ ৩০ লাখ শহীদ ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি প্রিয় স্বাধীন মাতৃভূমি।

প্রতিবারের মতো এবারও জাতি আত্মত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ওইসব মানুষকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে। স্বস্তির বিষয়, দেরিতে হলেও যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের প্রায় সবারই বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দেয়া দণ্ডাদেশ কার্যকরও হয়েছে।

বাকি যুদ্ধাপরাধীদেরও পর্যায়ক্রমে বিচার করা হবে বলে ধরে নেয়া যায়। বস্তুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করাই একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি সম্মান দেখানোর উত্তম পথ।

বলার অপেক্ষা রাখে না, হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া শহীদ বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা, সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও দক্ষতা দ্বারা স্বাধীন বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারতেন। দেশের জন্য বড় ধরনের অবদান রাখতে পারতেন। কিন্তু ঘাতকদের নির্মমতায় তারা সেটি পারেননি। এটা নিঃসন্দেহে জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা তাদের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে পারব। দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রইল আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।

রোজ এশিয়া স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম নিম্নোক্ত সিডিউল মোতাবেক পরিচালিত হবে ।

প্লে শ্রেণি :

ভর্তির আবেদন ফরম বিতরণ : ১ ডিসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত

আবেদন ফরম জমাদানের শেষ তারিখ : ৯ ডিসেম্বর

শিক্ষার্থী বাছাই (ভর্তির জন্য) : ১০ ডিসেম্বর

অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ: ১১ ডিসেম্বর

ভর্তি নিশ্চিতকরণ : ১২ ডিসেম্বর

ওয়েটিং লিস্ট থেকে ভর্তি : ১৩ ডিসেম্বর

বয়স : চার বছর হলেই প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যাবে

নার্সারি শ্রেণি :

ভর্তির আবেদন ফরম বিতরণ: ২ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত

আবেদন ফরম জমাদানের শেষ তারিখ : ১০ ডিসেম্বর

শিক্ষার্থী বাছাই (ভর্তির জন্য) : ১১ ডিসেম্বর

অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর

ভর্তি নিশ্চিতকরণ: ১৩ ডিসেম্বর

ওয়েটিং লিস্ট থেকে ভর্তি : ১৪ ডিসেম্বর

বয়স : পাঁচ বছর হলেই প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যাবে


প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি :
ভর্তির আবেদন ফরম বিতরণ: ৩ ডিসেম্বর থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত
আবেদন ফরম জমাদানের শেষ তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা : ২৬ ডিসেম্বর ( সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা )
অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর
ভর্তি নিশ্চিতকরণ: ২৮ ডিসেম্বর
ওয়েটিং লিস্ট থেকে ভর্তি : ২৯ ডিসেম্বর
বয়স : ছয় বছর হলেই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যাবে

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি :
ভর্তির আবেদন ফরম বিতরণ : ৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত
আবেদন ফরম জমাদানের শেষ তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা : ২৮ ডিসেম্বর ( সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা )
অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর
ভর্তি নিশ্চিতকরণ : ৩০ ডিসেম্বর
ওয়েটিং লিস্ট থেকে ভর্তি : ৩১ ডিসেম্বর
বয়স : এগার বছর হলেই ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যাবে

আপনার সন্তানকে কেন ভর্তি করাবেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে

এক. আমাদের প্রতিষ্ঠানে আছে এক ঝাঁক তরুন, মেধাবী শিক্ষক । আমাদের শিক্ষক টিমে আরো আছে পাবলিক ব্শ্বিবিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করা এবং গ্রাজুয়েশন রানিং একাধিক শিক্ষক যারা আপনাদের সন্তানদেরকে শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাতে মানসম্মত উপায়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ।

দুই. আমাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয় না । আমাদের কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ান না এবং কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন না ।কোনো শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ের বিশেষ কোনো অধ্যায়ে দূর্বল প্রমাণিত হলে তাকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফ্রি ক্লাসের মাধ্যমে উক্ত দূর্বলতা দূর করার চেষ্টা করা হয় ।

তিন. আমাদের শিক্ষক টিমে বিদ্যমান ইংরেজিতে পারদর্শী শিক্ষকবৃন্দ আপনার সন্তানকে এমনভাবে পারদর্শী করে তোলার চেষ্টা করবেন যাতে আপনার সন্তান ইংরেজিতে ভাল দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের প্রয়োজনীয় সকল ক্ষেত্রে ইংরেজিকে নিজের মাতৃভাষা বাংলার মত সহজবোধ্যভাবে ব্যবহার করতে পারে ।

error: জনাব! আসসালামুআলাইকুম